1. riadg82@gmail.com : GM Riad : GM Riad
  2. gmriad@poroshtv.com : Gm riad : Gm riad
  3. Bablumertini@poroshmail.com : Bablu Mertini : Bablu Mertini
  4. milonpress94@gmail.com : Milon :
  5. mjimintu@gmail.com : Mji Mintu : Mji Mintu
  6. news.shirajul@gmail.com : news.shirajul :
  7. poroshbangla@gmail.com : porosh :
  8. shafiur.50@gmail.com : Shafiul Islam Shafi : Shafiul Islam Shafi
  9. shahriarrafi018@gmail.com : Shamim Shahriar Rafi : Shamim Shahriar Rafi
November 26, 2020, 10:14 pm

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন তৈরির দলে দুই বাঙালি নারী

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, April 29, 2020
  • 236 Time View

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির জেনার ইনস্টিটিউটের অধীনে করোনা প্রতিষেধক নিয়ে যে গবেষণা চলছে, সেই দলে রয়েছেন সুমি। আর চন্দ্রা কাজ করছেন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ক্লিনিক্যাল বায়োম্যানুফ্যাকচারিং ফেসিলিটির কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স ম্যানেজার হিসেবে। এই ফেসিলিটি থেকেই তৈরি হয়েছে নভেল করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক চ্যাডক্স১। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার থেকে মানবশরীরে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ শুরু হয়েছে প্রতিষেধকটির। ইতোমধ্যে যথেষ্ট আশা জাগিয়েছে তা। বিজ্ঞানীদের মতে প্রতিষেধকটির সফল হওয়ার সম্ভাবনা অন্তত ৮০ শতাংশ।

সারা গিলবার্টের নেতৃত্বে ১৫ জন বিজ্ঞানীর দলে রয়েছেন সুমি। পেশায় ইমিউনোলজিস্ট সুমি বেঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাইক্রোবায়োলজি নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে যুক্তরাজ্যে চলে যান। লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনে বছরখানেক কাজ করার পরে যোগ দেন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে। ২০১৩ সালে জেনার ইনস্টিটিউটে ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক তৈরির কাজ শুরু করেন সুমি।

এই মুহূর্তে ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক নিয়ে জেনার ইনস্টিটিউটের গবেষণাদলের শীর্ষেও রয়েছেন সুমি। এছাড়া অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের অন্তর্গত গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পাইবায়োটেকের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবেও কর্মরত তিনি।

এদিকে টালিগঞ্জের গলফ গার্ডেনের মেয়ে চন্দ্রা ছিলেন গোখেল মেমোরিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থী। হেরিটেজ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজিতে বিটেক করার পর ২০০৯ সালে ব্রিটেনে চলে যান চন্দ্রা। লিডস ইউনিভার্সিটি থেকে বায়োসায়েন্সে (বায়োটেকনোলজি) এমএসসি করেন। তারপর একাধিক দায়িত্বশীল পদে কাজ করেছেন তিনি। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ক্লিনিক্যাল বায়োম্যানুফ্যাকচারিং ফেসিলিটিতে যোগ দেওয়ার পর ভ্যাকসিন তৈরির গুণগত মানের দিকটি নজরে রাখেন চন্দ্রা। যথাযথ পদ্ধতি এবং নিয়ম মেনে ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে কিনা, সবকিছু ঠিকমতো করা হয়েছে কিনা, অর্থাৎ কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্সের বিষয়টি সুনিশ্চিত করাই চন্দ্রার দায়িত্ব।

এই মুহূর্তে বাড়ি থেকেই কাজ করছেন বিজ্ঞানীদের দল। চন্দ্রা জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে করোনা প্রতিষেধকের প্রথম পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পর জুম অ্যাপের মাধ্যমেই কেক কেটে, ওয়াইনের বোতল খুলে উদযাপন করা হয়েছে দিনটি। সংবাদমাধ্যমকে চন্দ্রা বলেছেন, ‘আমাদের জীবনের লক্ষ্যই হলো মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও সহজ, আরও উন্নত করে তোলা। গত একমাসে আমাদের সকলের ওপরেই প্রচণ্ড চাপ ছিল, কিন্তু সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করে খুব তাড়াতাড়ি আমরা ভ্যাকসিনটি তৈরি করতে পেরেছি। গোটা দুনিয়া এই ভ্যাকসিনের সাফল্য কামনা করছে, একমাত্র তাহলেই জীবনে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2014 - 2020 Porosh Satellite Limited
Develper By Porosh Tech