1. riadg82@gmail.com : GM Riad : GM Riad
  2. gmriad@poroshtv.com : Gm riad : Gm riad
  3. Bablumertini@poroshmail.com : Bablu Mertini : Bablu Mertini
  4. milonpress94@gmail.com : Milon :
  5. mjimintu@gmail.com : Mji Mintu : Mji Mintu
  6. news.shirajul@gmail.com : news.shirajul :
  7. poroshbangla@gmail.com : porosh :
  8. shafiur.50@gmail.com : Shafiul Islam Shafi : Shafiul Islam Shafi
  9. shahriarrafi018@gmail.com : Shamim Shahriar Rafi : Shamim Shahriar Rafi
September 29, 2020, 5:50 pm

এক বছরের মধ্যে সাক্ষরতার হার৭৫ %থেকে ১০০% করা সম্ভব ডক্টর মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুব্বর।

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, September 8, 2020
  • 151 Time View

পরশ টিভিঃঃ

ডক্টর মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন ১ বছরের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৫% থেকে ১০০% এ অর্জন সম্ভব।

উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী সাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন নারী-পুরুষের হার ৭৫%। বর্তমানে নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর হার ২৫% এবং মোট নিরক্ষর জনসংখ্যা ২ কোটি ২৫ লক্ষ।

ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভূক্ত মোট ওয়ার্ডের সংখ্যা ৪৩৯৮১টি। ধরুন, একটি ওয়ার্ডে ১০০ জন নিরক্ষর ব্যক্তি আছেন। এদের সাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন করতে হবে। এক্ষেত্রে ১০০ জনকে ৪টি সমান সংখ্যক গ্রæপে ভাগ করে ঐ ওয়ার্ডের অন্তর্ভূক্ত ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪ জন কলেজপড়–য়া শিক্ষার্থী দ্বারা সরকার পাঠদান ব্যবস্থা করবেন। যেহেতু নিরক্ষর ব্যক্তিগণ বয়স্ক, তারা স্বরবর্ণ-ব্যঞ্জনবর্ণ-গাণিতিক অংক অতি অল্প দিনের মধ্যে আয়ত্ত করতে সক্ষম হবেন। তাদের ক্লাসের সময়সীমা সন্ধ্যার পর থেকে দুই ঘন্টা পর্যন্ত, সপ্তাহে ৫ দিন। স্বরবর্ণ-ব্যঞ্জনবর্ণ বর্ণমালা শিখে শব্দ-বাক্য তৈরী করতে তাদের ৩ মাসের বেশি সময় লাগবে না। গাণিতিক অংক শিখে ছোট ছোট যোগ-বিয়োগ-ভাগ-গুণ শিখতে ২ মাসসহ দৈনিক পত্রিকা পড়তে কোন অবস্থায় ৬ মাসের বেশি প্রয়োজন হবে না। একই পদ্ধতিতে সমগ্র বাংলাদেশে যে ওয়ার্ডগুলো রয়েছে, সেসব ওয়ার্ডগুলোকে একই পদ্ধতিতে পাঠদান ব্যবস্থা করলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর মধ্যে অর্থাৎ ৬ মাসের মধ্যে নিরক্ষর ২ কোটি ২৫ লক্ষ জনগোষ্ঠীকে ১০০% সাক্ষরজ্ঞানসম্পন্নকরণ সম্ভব। আমার প্রস্তাবিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনায় এক্ষেত্রে দুর্ণীতি বা অর্থের অপচয় হওয়ার সম্ভাবনা ও সুযোগ বিন্দু-বিসর্গও নেই।

সম্ভাব্য ব্যয় ঃ স্বাধীনতাউত্তর ৪৯ বছরে সাক্ষরতার হার ধরে নিয়েছি ৭৫%। এনজিও ও সরকারের এ খাতে অর্থ ব্যয় ৪৯ বছরে যা হয়েছে, তার মধ্য থেকে ২ বছরের ব্যয়িত সমপরিমান অর্থের চেয়ে বেশি অর্থ রাষ্ট্রের খরচ হবে না। এতে দেশের একসময়ে বৃহত্তর শিক্ষিত বেকারত্বের আর্থিক সঙ্গতি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। ২৫% জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরজ্ঞান করতে যে টাকা ব্যয় হবে, তার একটি সম্ভাব্য হিসাব আমার সংগ্রহগারে রয়েছে।

মন্তব্য ঃ বাংলাদেশের সাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি নিজের নাম বানান করে বলতে ও লিখতে পারলেও অনেকেই বাংলা খবরের কাগজ পড়তে পারে না। এক্ষেত্রে আমার সাক্ষরতার ওপর ব্যক্তিগত সংজ্ঞার প্রস্তাবটি রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রযোজ্য করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অনুরোধ জানানো হলো যাতে, সরকারের এসডিজি অর্জনে ও দেশের মান উন্নয়নের লক্ষে ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদার সদন অর্জনে আংশিক হলেও মঙ্গলময় হবে।

সংজ্ঞা
যিনি বাংলায় ও ইংরেজীতে নিজের নাম লিখতে পারবে, বাংলা খবরের পাতা পড়তে পারবে, গাণিতিক অংকের সাহায্যে প্রয়োজন মাফিক ছোট ছোট যোগ-বিয়োগ-ভাগ-গুণ করতে পারবে সর্বোপরি যিনি তার প্রয়োজনীয় দৈনন্দিত হিসাব-নিকাশ লিপিবদ্ধ করতে ডাইরী পরিচালনা করতে পারবে, তাকেই সাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করা হবে।

বিদেশে গমনেচ্ছু প্রত্যেক প্রবাসীকে দেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধিতে ইংরেজীতে সাক্ষরতা শিখতে ও করতে হবে- এটা সরকারের বাধ্যবাধকতার আওতায় আনা আবশ্যক।

পরিকল্পনা প্রণয়নে:
ডক্টর মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুব্বর আমিনুল
স্থানীয় সরকার বিষেশজ্ঞ ও কলামনিস্ট।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2014 - 2020 Porosh Satellite Limited
Develper By Porosh Tech