1. riadg82@gmail.com : GM Riad : GM Riad
  2. gmriad@poroshtv.com : Gm riad : Gm riad
  3. Bablumertini@poroshmail.com : Bablu Mertini : Bablu Mertini
  4. milonpress94@gmail.com : Milon :
  5. mjimintu@gmail.com : Mji Mintu : Mji Mintu
  6. news.shirajul@gmail.com : news.shirajul :
  7. poroshbangla@gmail.com : porosh :
  8. shafiur.50@gmail.com : Shafiul Islam Shafi : Shafiul Islam Shafi
  9. shahriarrafi018@gmail.com : Shamim Shahriar Rafi : Shamim Shahriar Rafi
September 29, 2020, 4:50 pm

তিস্তার পানি বাংলাদেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার: হানিফ

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, September 16, 2020
  • 40 Time View

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সম্পর্কের বড় উপাদান হচ্ছে একাত্তরের রক্তের বন্ধন, যা এখন ভারত ও বাংলাদেশের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের ধমনিতে বহমান। এ সম্পর্ক অটুট রাখা উভয় দেশের জন্য অপরিহার্য। এ সম্পর্কের ছেদনে যে রক্তক্ষরণ হবে তার যন্ত্রণা ভারত-বাংলাদেশ কেউ সহ্য করতে পারবে না। তবে সব কিছু ঠিক থাকবে যদি আদর্শের জায়গাটা ঠিক থাকে। এই আদর্শের জায়গাটিকে ধরে রাখার জন্য ভারতকে উপলব্ধি করতে হবে তিস্তা নদীর পানি বাংলাদেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার। আমাদের প্রত্যাশা ভারত সরকার বন্ধুত্বের দায় থেকে তিস্তা সংকট নিরসনে অতিদ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে দেশের জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল বিবার্তা২৪ডটনেট আয়োজিত ‘বিবার্তা সংলাপ’ ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। ‘‘সম্পর্কের সমীকরণ, ভারত-বাংলাদেশ-চীন” শিরোনামের ওই ভার্চুয়াল আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন গৌরব’ ৭১ এর সাধারণ সম্পাদক এফএম শাহীন। এ সময় অতিথিরা ভারত, চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন। লাদাখে ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষের পর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানোর চেষ্টা করছে চীন। এর ফলে দিল্লির সঙ্গে ঢাকার দূরত্ব তৈরি হতে পারে বলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন। তবে আমি বিশ্বাস করি এমনটা ঘটবে না। চীন বাংলাদেশের আট হাজারের বেশি পণ্যসামগ্রী বিনা শুল্কে নিজেদের দেশে রফতানির অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে লাভবান হবে, এতে কোনো সংশয় নেই। কিন্তু সেই সবের জন্যে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না। উপমহাদেশ তথা এ অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতার কথা যারা ভাবেন বা এ অঞ্চলের মানচিত্রের দিকে তাকালে যে কেউ বুঝবেন এতদঞ্চলের নিরাপত্তা ও কানেকটিভিটির নিরবচ্ছিন্নতা রক্ষা করার জন্য ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে প্রশ্নহীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কোনো বিকল্প নেই। এই দুই দেশের সম্পর্ক ঠিক না থাকলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য কতখানি হুমকি হতে পারে তার উদাহরণ বিগত দিনে আমরা সবাই দেখেছি। এখন প্রশ্ন হলো, তিস্তা চুক্তিই কি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের একমাত্র মাপকাঠি? অবশ্যই তা নয়। কিন্তু বিষয়টির এতই রাজনৈতিকীকরণ হয়েছে, তাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতবিরোধী রাজনৈতিক পক্ষ ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এটিকে পুঁজি করে যে ধরনের প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে, তাতে সাধারণ জনগণ বিভ্রান্তিতে পড়ে যাচ্ছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল জায়গাটি হচ্ছে দুই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় আদর্শগত অবস্থান, যার গোড়াপত্তন করেন দুই দেশের দুই মহান নেতা ইন্দিরা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশে যখনই মুক্তিযুদ্ধের দর্শন ও আদর্শবিরোধী পক্ষ ক্ষমতায় থেকেছে তখনই দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। এতে উভয় দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সে সময়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে জননিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের অন্ত ছিল না। উপরোক্ত পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে সামরিক ফোর্সবিন্যাসের সমীকরণে স্ট্র্যাটেজিক্যালি ভারতও বড় ধরনের সীমাবদ্ধতার মধ্যে পড়ে। ২০০৯ সালের পর থেকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটেছে এবং তা এখন একাত্তরের পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই একই সময়ে অর্থাৎ ২০০৯ সালের পর থেকে চীনও বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপকভাবে এগিয়ে এসেছে। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে উন্নত। চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ভারতের কোনো উদ্বেগের কারণ থাকা উচিত নয়, বিশেষ করে যত দিন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় আছেন। বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায় এমন কিছু নিয়ে বিশ্বের কোনো শক্তির সঙ্গেই শেখ হাসিনা আপস করবেন না, যার প্রমাণ তিনি এরই মধ্যে অনেকবার রেখেছেন। দ্রুতগতিতে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাইলে এ মুহূর্তে চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন। এর কোনো বিকল্প নেই। তাই চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটি মূলত অর্থনৈতিক। কিন্তু ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বহুবিধ অবিচ্ছেদ্য উপাদান আছে, যে কথা আমি শুরুতেই বলেছি। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উপাদান হচ্ছে একাত্তরের রক্তের বন্ধন, যা এখন ভারত ও বাংলাদেশের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের ধমনিতে বহমান। এ সম্পর্ক অটুট রাখা উভয় দেশের জন্য অপরিহার্য। এ সম্পর্কের ছেদনে যে রক্তক্ষরণ হবে তার যন্ত্রণা ভারত-বাংলাদেশ কেউ সহ্য করতে পারবে না। তবে সব কিছু ঠিক থাকবে যদি আদর্শের জায়গাটা ঠিক থাকে। এই আদর্শের জায়গাটিকে ধরে রাখার জন্য ভারতকে উপলব্ধি করতে হবে তিস্তা নদীর পানি বাংলাদেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার। আমাদের প্রত্যাশা ভারত সরকার বন্ধুত্বের দায় থেকে তিস্তা সংকট নিরসনে অতিদ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ভারতের সাথে আমাদের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। ভারত সব সময় আমাদের বন্ধু ছিল। কিন্তু চীন কোনো সময়ই আমাদের ভালো চায়নি। বঙ্গবন্ধুকে যখন হত্যা করা হয় তখন খুনী সরকারের পক্ষ নিয়েছিল চীন। তারা কখনো বাংলাদেশের বন্ধু ছিল না। চীন অতীতেও সিমলা চুক্তির আইন ভঙ্গ করেছিল। সম্প্রতিকালেও ভারত অঞ্চলে ভারতের কয়েকজন সৈন্যকে হত্যা করে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘণ করেছে। অস্ট্রেলিয়ার অবসরপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, চীনের কখনো কোনো বন্ধু নেই, কখনো কোনো বন্ধু ছিল না আর কখনো কোনো বন্ধু হবেও না। চীন স্বর্থপর জাতি, তারা নিজের স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছু চিনে না। একই কথা জাপানের প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন। লেখক ও সাংবাদিক স্বদেশ রায় বলেন, ১০ লাখ মানুষ যখন শরণার্থী; তখন তাদের দুঃখ অনেকে বেশি থাকে। তবে আগে দেখতে হবে তারা কেন শরণার্থী হয়েছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের বাস্তবে ফেরার কোনো উপায় নেই। রোহিঙ্গারা যখন আসে তখ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2014 - 2020 Porosh Satellite Limited
Develper By Porosh Tech